চট্টগ্রাম-১০ উপনির্বাচন : স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মারধরের অভিযোগ, পরে ভোট বর্জন

চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে মারধরের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আরমান আলী। তিনি দুই দফা হামলার শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।

রবিবার (৩০ জুলাই) নগরের ফইল্যাতলী বাজারে অবস্থিত প্রাণহরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ডা. ফজলুল হাজারা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে তার ওপর দুই দফা হামলা চালানো হয়।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আরমান আলী চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং-হালিশহর-পাঁচলাইশ) আসনের উপনির্বাচনে বেলুন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আরমান আলীর অভিযোগ, প্রাণহরি বিদ্যালয় থেকে কোনোভাবে বেঁচে তিনি ডা. ফজলুল হাজারা ডিগ্রি কলেজে যান। সেখানে আরেক দফায় হামলা হয়। হাত ধরে টানাটানি করেন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। মুঠোফোন কেড়ে নেন। পরে পুলিশ তাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন।

আরমান জানান, ১০টি কেন্দ্রে তিনি এজেন্ট দিয়েছিলেন। কিন্তু কাউকে দায়িত্ব পালন করতে দেওয়া হয়নি। সকালেই সবাইকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এসব কারণে তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। বয়কট করেছেন।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সাংবাদিকদের কাছে।

পাহাড়তলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেছেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে মোট ১৫৬টি কেন্দ্রের ১ হাজার ২৫১টি কক্ষে ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হচ্ছে। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ৯৫টি সাধারণ, বাকি ৫৯ কেন্দ্রটি ‘গুরুত্বপূর্ণ’। গুরুত্বপূর্ণ এসব কেন্দ্রে বাড়তি নিরাপত্তা রয়েছে। ভোটের দিন চার প্লাটুন বিজিবি, র‍্যাবের চারটি টহল দল ও পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছেন।

এ উপনির্বাচনে মোট প্রার্থী ছয়জন। ধারণা করা হচ্ছে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. মহিউদ্দিন ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামসুল আলমের মধ্যে।