চট্টগ্রামে বাণিজ্যমেলা শেষ হচ্ছে ২৬ মার্চ

চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ডে চট্টগ্রাম চেম্বার আয়োজিত বাণিজ্য মেলা (সিআইটিএফ) ২৬ মার্চ (মঙ্গলবার) পর্যন্ত চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারস্থ বঙ্গবন্ধু কনফারেন্স হলে মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সনদ ও অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. তোফায়েল ইসলাম ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। বক্তব্য দেন চেম্বার সহ-সভাপতি রাইসা মাহবুব, চেম্বার পরিচালক ও সিআইটিএফ-২০২৪ কমিটির চেয়ারম্যান একেএম আক্তার হোসেন।

বক্তারা বলেন, চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে হলে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করতে হবে। এছাড়াও চট্টগ্রামকে বৈশ্বিক অবস্থানে তুলে ধরতে হলে আন্তর্জাতিকমানের বাণিজ্য মেলারও প্রয়োজন রয়েছে। এসময় তারা নগরীর পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা আনতে বাস, ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ, ডাম্পিং স্টেশন, ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়ন ও রিকশামুক্ত সড়ক ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চেম্বার সভাপতি ওমর হাজ্জাজ বলেন, বন্দরনগরী ও বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম বসবাস উপযোগী করে তুলতে এবং নাগরিকদের চলাচলের সুবিধার্থে ফুটপাতসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে সর্বস্তরের ব্যবসায়ী সমাজ। জনসাধারণের চলাচলের পথ বন্ধ করে ফুটপাতকেন্দ্রিক এ সব ব্যবসায় কোটি কোটি টাকার লেনদেন হলেও এ থেকে সরকারের কোনো রাজস্ব আয় হয় না। তাই এ সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের ফলে সাধারণ ব্যবসায়ীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পাশাপাশি হকারদের পুনর্বাসনের জন্য হলিডে ও নাইট মার্কেট চালু করা গেলে সেখান থেকেও রাজস্ব পাবে সরকার।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ প্যাভিলিয়ন, স্টল এবং ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস প্রতিষ্ঠানকে অ্যাওয়ার্ড ও সনদ দেওয়া হয়। এবারের মেলায় প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন ক্যাটাগরিতে টিকে গ্রুপ প্রথম, আবুল খায়ের মিল্ক প্রোডাক্টস লিমিটেড দ্বিতীয় এবং নিউজিল্যান্ড ডেইরি প্রোডাক্টস বাংলাদেশ লিমিটেড তৃতীয়; স্টলের মধ্যে ওয়েলবার্গ, ওয়াকারু ও রাজ টেক্সটাইল (রাজ লুঙ্গি) যথাক্রমে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় হয়েছে। এছাড়া ক্রিয়েটিভ অ্যাক্টিভিটিস হিসেবে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন সেরা নির্বাচিত হয়েছে।