চট্টগ্রামে দিনব্যাপী পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলার উদ্যোগে ‘পবিত্র হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচি-২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ মে) সকালে চট্টগ্রাম নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে হজ্ব গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মোরশেদুল আলমের সভাপতিত্বে পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়।

কাফেলার সদস্য মাওলানা সরওয়ার আলমের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হজ্ব প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিধি ছিলেন হাব চট্টগ্রামের সভাপতি শাহ আলম। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বায়তুশ শরফ কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আবু ছালেহ মুহাম্মদ ছলিমুল্লাহ, হাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল খালেক, চবি অধ্যাপক ড: মো: জুনাইদ, গারাংগিয়া মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা আকতার, মাওলানা শফি, ডা: আবুল কালাম আযাদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, হজ্বের অনেক বড় শিক্ষা ধৈর্যের শিক্ষা। হজে খুব বেশি প্রয়োজন হয় ধৈর্যের। যেহেতু হজের সফর দীর্ঘ হয় এবং হজ্বের সফরে এমন অনেক পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, যা অন্তরে রাগের জন্ম দেয়, তাই সবরের প্রয়োজন হয়। সবরের মাধ্যমে এসব পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হয়। প্রচুর ধৈর্যের প্রয়োজন। এই সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণ ধৈর্যের অনেক বড় প্রকার। সুতরাং অশ্লীল কথা, কাজ ও পাপাচার থেকে বেঁচে থাকার জন্য সবর ও সংযমের খুব প্রয়োজন।

বক্তারা আরো বলেন, হজ্ব এমন একটি আধ্যাত্মিক ইবাদত যাতে ইসলামের সকল ইবাদতের মূল নির্যাস নিহিত। হজ্ব কেন বড় ইবাদত এজন্য সুনির্দিষ্ট স্থান, সুনির্দিষ্ট সময়, সুনির্দিষ্ট পোষাক রয়েছে এবং একটি বিশেষ শ্রেণীর উপর ফরজ। এটি আল্লাহতায়ালা কর্তৃক প্রবর্তিত সর্বশেষ ফরজ বিধান এবং এই ইবাদতের নামে আল কোরআনে একটি স্থায়ী সূরা বিদ্যমান। হজের পর থেকে মানুষ নিজের সৎ-শুদ্ধ কিংবা পাপ-পঙ্কিলতাপূর্ণ অতীতের সমাপ্তি টেনে নতুন করে নিজের জীবনকে ঢেলে সাজায়। সে সুবাদে তার প্রতিটি কর্মকান্ডে লাগে নবজীবনের ছোঁয়া। আল-মারচুচ হজ্ব কাফেলা আল্লাহর মেহমানদেরকে দীর্ঘ চব্বিশ বছর ধরে যে সেবা দিয়ে আসছে।