বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে যাওয়ার আতঙ্কে আছেন আনোয়ারা উপজেলার উপকূলবাসীরা।
ইতোমধ্যে জোয়ারের পানির তোড়ে উপজেলার জুঁইদন্ডী, সরেঙ্গা, রায়পুর, পূর্ব গহিরা ও দক্ষিণ গহিরা এলাকার উপকূলীয় বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ দুর্যোগ মোকাবেলায় আনোয়ারা উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি মিলিয়ে ৬৫টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে। দুর্যোগ পূর্ব ও পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য সিপিবির স্বেচ্ছাসেবক ও এনজিওর স্বেচ্ছাসেবকরাও প্রস্তুত আছেন।
স্থানীয়রা জানান, উপকূলবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ। এলাকাবাসীর জোরালো দাবি সত্ত্বেও এখনও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। যার কারণে দুর্যোগ আসলে আতঙ্কে বুক কাঁপে উপকূলবাসীর। যদিও সিত্রাংয়ের আঘাতে জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ সংস্কারে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ব্যাপক কাজ করেছে। তবে কিছু এলাকায় কাজ না করায় আতঙ্ক বেড়ে গেছে সেসব এলাকার মানুষের। বিশেষ করে ঝুঁকির মুখে রয়েছে রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব গহিরা কোস্টগার্ড এলাকা থেকে ফকির হাট এবং ঘাটকুল থেকে নজুমিয়া ঘাট পর্যন্ত এলাকা।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আমিন শরীফ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বেড়িবাঁধে জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় জিও ব্যাগ দেওয়া হচ্ছে। রায়পুর ইউয়নে উপকূলে বেশ কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্র আমরা প্রস্তুত করে রেখেছি। এছাড়া সচেতনতামূলক মাইকিংয়ের ব্যবস্থাও করেছি।