রবিবার ( ১৯ ফব্রেুয়ার) খিলগাঁও অঞ্চলরে গৃহর্কমী আঞ্চলিক ফোরামরে আয়োজনে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র সুনীতি প্রকল্পের সহযোগিতায় কারিতাস ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট, ২ আউটার র্সাকুলার রোড, শান্তিবাগ, ঢাকা- ১২১৭ এর সভাকক্ষে গৃহর্কমী সুরক্ষা, অধকিার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজ ও গৃহর্কমী ফোরামের সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
গৃহর্কমী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি ২০১৫ হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। প্রত্যেক গৃহকর্মীর যেমন দক্ষতা দরকার, তেমনি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দরকার। তাদের দ্রুত শ্রম আইনে অর্ন্তভুক্ত করা জরুরী।
সময় এখন গৃহর্কম ও গৃহকর্মীর সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির, শ্রমিক হিসাবে শ্রম আইনে অর্ন্তভুক্তি র্শীষক গৃহকর্মী সুরক্ষা, অধীকার ও র্মযাদা প্রতিষ্ঠায়
নাগরিক সমাজ ও গৃহকর্মী ফোরামের সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। খিলগাঁও গৃহশ্রমিক আঞ্চলিক ফোরামের সভাপতি জানু বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খিলগাঁও ০৫ নং ওর্য়াড কাউন্সিলর লায়ন চিত্ত রঞ্জন, নারী জন প্রতিনিধি,নাসরিন আহম্মেদ,৭৪ নং ওর্য়াড সাবেক কাউন্সিলর আবুল আজাদ, বিশেষ অতিথি এড. মাকসুদা আক্তার লাইলী, বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্ট, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফেরদৌসি বেগম, রাইসুল ইসলাম , প্রোগ্রাম অফিসার নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, খায়রুল আলম মিন্টু যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা জেলা কমিটি , টিইউসি সুমা আক্তার সদস্য ঢাকা জেলা কমিটি , টিইউসি।
আরও উপস্থিত ছিলেন আফরোজা ডালিয়া পরিচালক, প্রশাসন, দুস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়ক, তারেক আজিজ , দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান, মোহাম্মদপুর, বাড্ডা ও খিলগাঁও গৃহশ্রমিক আঞ্চলিক ফোরামের সদস্যবৃন্দ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খিলগাঁও গৃহকর্মী আঞ্চলিক ফোরামরে সদস্য কুলসুম বেগম । কাউন্সিলর লায়ন চিত্ত রঞ্জন বলেন, গৃহকর্মীদের দাবী আদায়ের লড়াইটা জরুরি। অন্যদিকে সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে সকল্কে সংগঠিত হওয়া জরুরী। এখানে স্থানীয় সরকার সবচেয়ে গুরুত্বর্পূণ। তার ওর্য়াডে গৃহর্কমীর কল্যান ও সুরক্ষা বাস্তবায়নের জন্য তিনি সব ধরনের সহযোগীতার আশ্বাস প্রদান করেন।
তারেক আজিজ, গৃহর্কমী সকলকে একসাথে কাজ করার জন্য অনুরোধ করেন। উক্ত সভাটি সুন্দর ভাবে পরিচালনা করার জন্য তিনি গৃহকর্মীদের ধনবাদ প্রদান করেন।
সাংবাদিক আব্দুল কবির বলেন যে গৃহকর্মীদের অধিকার র্মযাদার জন্য সকল গৃহর্কমীদের এক হয়ে কাজ করতে হবে । তাদের নিজ নিজ অধিকার বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
খায়রুল আলম মিন্টু বলেন, গৃহর্কমীর মুক্তির জন্য লড়াই করতে হবে। গৃহর্কমীদের নীতিমালা কার্যকর করতে হবে এবং তাদের শ্রম আইনের আওতায় আনতে হবে।
এড. মাকসুদা আক্তার লাইলী বলেন, সকল গৃহর্কমীদের তাদের নীতিমালা সর্ম্পকে অবগত হতে হবে এবং সকল গৃহর্কমীদের সংগঠিত হতে হবে । সংগঠিত হতে পারলে গৃহর্কমীদের অধিকার আদায়ে সহজ হবে।
আফরোজা ডালিয়া সকল গৃহর্কমীদের একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য বলেন।
শারমিন আক্তার বলেন, গৃহকর্মীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় শান্তিপুর্ণভাবে লড়াইটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
ময়না বেগম বলেন, সকল গৃহর্কমীদের তাদের অধিকারের প্রতি সচেতন হতে হবে । সবার মধ্যে একতা থাকতে হবে। তিনি গৃহর্কমীদের রেজিস্ট্রিশেন, কাজের স্বীকৃতি বৃদ্ধ বয়সে পেনশনের দাবি জানান।
কুলসুম বেগম বলেন, গৃহর্কমীদের সাপ্তাহিক ছুটি মাতৃত্বকালীন ছুটির দাবি এবং থানার ফাইলে পড়ে থাকা গৃহর্কমীদের মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানান।