চলতি বছরের এপ্রিলে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানো পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার সরকারের ক্ষমতাচ্যুতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করে আসছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রকে আর অভিযুক্ত করবেন না বলে নিজেই জানিয়েছেন ইমরান খান। তিনি বলেছেন, গত এপ্রিলে তার সরকারকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের জন্য মার্কিন প্রশাসনকে তিনি আর ‘দোষারোপ’ করেন না।
ইমরান খানের গতকাল রোববারের (১৩ নভেম্বর) এই মন্তব্য অনেকের কাছেই বেশ আশ্চর্যজনক বলে মনে হয়েছে। কারণ, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে অপসারিত হওয়ার পর থেকেই ইমরান ধারাবাহিকভাবে এই প্রচার চালিয়েছেন, বিদেশি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। এর পেছনে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িত ছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
ডন নিউজ জানায়, পৃথক বক্তৃতায় ইমরান খান দাবি করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দেশটিতে স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের ‘অনুমতি না দিয়ে’ মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। পিটিআই-এর কাছে পরাজয়ের ভয়ে নওয়াজের ছোট ভাই শেহবাজ নির্বাচনে যাচ্ছেন না।
ইমরান খান আরো বলেন, সমগ্র পাকিস্তানির জন্য উদ্বেগের বিষয় হলো- সুপ্রিম কোর্টে দোষী সাব্যস্ত একজন ব্যক্তি পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তিনি এমন সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যার মধ্যে দেশের নতুন সেনাপ্রধানের নিয়োগও রয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইমরান খান বলেছেন, পিটিআই সরকারকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের জন্য মার্কিন প্রশাসনকে তিনি আর দায়ী মনে করেন না। ওয়াশিংটন এবং ইসলামাবাদের মধ্যে মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক চান বলেও জানিয়েছেন ইমরান।