এবারও কোরবানীর বর্জ্য অপসারণে চসিকের দৃষ্টান্ত স্থাপন

পরিকল্পপিতভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ এবং সঠিক তদারকির মাধ্যমে এবারও কোরবানির জবাইকৃত পশুর বর্জ্য ঈদুল আজহার দিন বিকাল ৫ টার মধ্যে পুরো নগরী পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা কমান্ডার লতিফুল হক কাজমীর পরিচালনায় কোরবানীর বর্জ্য অপসারণ কাজে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সাথে এক সভায় মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এ মন্তব্য করেন।

মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ওয়ার্ড ওয়ারী আবর্জনা পরিবহনের গাড়ী বন্টন, সেবকদের উপস্থিতিসহ সার্বিক কার্যক্রম মনিটর করেন এবং দুপুরে নগরীর বিভিন্ন এলাকার কোরবানির পশুর বর্জ্য ও ময়লা আবর্জনা অপসারণের কাজ পরিদর্শন করেন। এছাড়া আরেফীন নগর ও হালিশহর আবর্জনাগারে পশুর বর্জ্য ডাম্পিং কার্যক্রমও সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন।

এ সময় মেয়র বলেন, ঈদের দিন সকাল ১০টা থেকে একটানা বর্জ্য অপসারণ করে সেবকরা চট্টগ্রাম মহানগরীকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে তুলে। ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণের নেতৃত্বে ছয়টি টিম বর্জ্য অপসারন সংক্রান্ত এই কার্যক্রম পর্যবেক্ষন করেন। কোথাও বর্জ্য পেলেই তারা তা তাৎক্ষনিক অপসারণ করে এবং বর্জ্য অপসারনের পর প্রতিটি ডাষ্টবিন ও বর্জ্য রাখার স্থানে বিলিচং পাউডার ছিটিয়ে জবাইকৃত পশুর রক্ত ধোয়ে ফেলে। ফলে পুরো শহরের পরিবেশ সুস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলরগন বর্জ্য অপসারন কাজ তদারকী করেন।

তিনি আরও বলেন, এ লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশনের দামপাড়া অফিসে একটি সার্বক্ষনিক কন্ট্রোলরুম খোলা হয়। সেখানে যে কোন অভিযোগ পাওয়ামাত্র তা দ্রুত ওয়াকিটকি বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর বা সুপারভাইজারকে ব্যবস্থা নেবার জন্য জানানো হয়। কোরবানী পশুর বর্জ্য ও নাড়িভূড়ি দ্রুত অপসারন করে নগরীর পরিবেশ সুস্থ্য ও সুন্দর রাখায় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠক ও ব্যক্তিমহল সিটি কর্পোরেশনকে অভিনন্দন জানায়।

মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী কোরবানী পশুর বর্জ্য অপসারন কাজে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করায় নগরবাসী, কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর এবং পরিচ্ছন্ন-প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ সংশ্লিস্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।