চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে প্রতিবছর প্রতিষ্ঠান প্রতি নির্ধারিত ছোট-বড় বরাদ্দ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীর সংখ্যানুপাতে সৌন্দর্য বর্ধন ও সংস্কার উন্নয়ন বাবদ বরাদ্দ প্রতিষ্ঠানসমূহ পেয়ে থাকে। তবে অর্থ ব্যয়ের হিসেবের খাতা কলমে মিললেও উৎকোচে তদারকি সম্পন্ন হওয়ায় উন্নয়নের বাস্তব চিত্র অদৃশ্য।
সূত্র মতে, উপজেলার ৯৮টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষার্থী অনুপাতে প্রতি বছর স্লীপ ও উন্নয়ন বরাদ্দ প্রদান করায় হয়। ২০০ শিক্ষার্থীর অধীনে ৫০ হাজার টাকা, ৫০০ জন্য ৭০ হাজার, ৮০০ থেকে উপরে হলে ১ লাখ টাকার অধিক প্রতিষ্ঠান প্রতি বরাদ্দ পেয়ে থাকে। এছাড়া ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা উন্নয়ন বরাদ্দ ও প্রাক-প্রাথমিকের সাজসজ্জা ও খেলনা উপকরণ ক্রয়ে ১০ হাজার টাকাসহ স্টেশনারী বরাদ্দ রয়েছে।
গুণগতমান ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে বরাদ্দের পরও বাইরের পরিবেশ, সৌন্দর্য বর্ধন ও পাঠদানে পিছিয়ে রয়েছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান। বরাদ্দকৃত অর্থ ক্যাশমেমোতে সীমাবদ্ধ থাকায় দৃশ্যমান নেই।
বখশিস আর উৎকুচে পড়ে বরাদ্দকৃত অর্থের উন্নয়ন নেই বলে জানান স্থানীয়রা। তবে পরিমাণে যতসামান্ন হওয়ায় বাৎসরিক বরাদ্দ দিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলে জানান প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। আর এভাবে বাৎসরিক বরাদ্দের অর্থে গোপনে নয়-ছয় চলছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুরু ছোফা বলেন, ‘বাৎসরিক বরাদ্দের অর্থ সংস্কার-উন্নয়ন কাজে ব্যয় হয়।’ আর বড় ধরনের বরাদ্দের ব্যাপক উন্নয়নে হচ্ছে বলে জানান তিনি।
দেশ বর্তমান/এআই