সম্প্রতি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটিতে বেইজিংকে হুমকি হিসেবে আখ্যা দেয় ন্যাটো মহাসচিব জেন্স স্টলটেনবার্গ। চীনকে ‘হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করার ‘তীব্র বিরোধিতা’ জানিয়েছে বেইজিং। দূতাবাস থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আঞ্চলিক সংঘর্ষ, বিভাজন ও অস্থিরতা না বাড়াতে ন্যাটোর প্রতি আহবান জানাচ্ছে চীন।’খবর রয়টার্স’র
শনিবার (৩ জুন) এমন বিরোধিতা করে বিবৃতি দেয় নরওয়ের চীনা দূতাবাস।
দূতাবাসের বক্তব্যে বলা হয়, চীনের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হুমকি ও বিভিন্ন দেশকে দমিয়ে রাখার অভিযোগ করেছেন ন্যাটো মহাসচিব। স্টলটেনবার্গের এমন অভিযোগকে ভিত্তিহীন আখ্যায়িত করে চীনা দূতাবাস আরও জানায়, ‘বৈশ্বিক শান্তির জন্য কারা সত্যিকার হুমকি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে তা পরিষ্কার।’
সম্প্রতি তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন রয়েছে চীনের। গণতান্ত্রিকভাবে চলা তাইওয়ানকে নিজ ভূখণ্ড দাবি করে সেখানে প্রায়শই সামরিক মহাড়া চালায় বেইজিং। এছাড়া দ. চীন সাগরের ওপরেও নিজেদের আধিপত্য দাবি করে আসছে দেশটি। এসব কারণে চীনের ঘোর বিরোধিতা করছে পশ্চিমা দেশগুলোসহ মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো।