আজাদ হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চার আসামিকে রাঙামাটি থেকে ধরল র‌্যাব

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে মো. আজাদ (৩০) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭।

গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৭’র জনসংযোগ কর্মকর্তা নুরুল আবছার।

এর আগে রবিবার (২৮ মে) ভোরে পাহাড়তলী থানার নয়াবাজার বিশ্বরোডের মুখে আজাদকে ছুরিকাঘাত করে নাড়িভুড়ি বের করে ফেলে খুনিরা। পরে তাকে উদ্ধার ‍করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। তবে মৃত্যুর আগে স্বজনদের কাছে খুনিদের নাম বলে দেন আজাদ।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, হালিশহর থানা এলাকার বাসিন্দা মো. আবুল হাসেমের ছেলে আবু তাহের রাজীব (২৩), লক্ষীপুর জেলার সদর থানার সংসেরাবাদ এলাকার বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন জয় (২৭), হালিশহর থানা এলাকার চেয়ারম্যান বাড়ির মো. ইব্রাহিমের ছেলে মো. রায়হান সজীব (২২) ও হলিশহর থানাধীন নয়াবাজার এলাকার বাসিন্দা আবুল হাসেমের ছেলে আবুল হাসনাত রানা (৩০)।

র‌্যাব জানায়, আজাদ হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী বাদী হয় নগরীর পাহাড়তলী থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩/৪ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। (মামলা নং ২২/৯৭ তারিখ ২৮ মে ২০২৩, ধারা ৩০২/৩৪।) এর পর থেকে আসামিরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে তাদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরধারী এবং ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে।

র‌্যাব ৭ এর গণসংযোগ কর্মকর্তা নুরুল আবছার জানান, নজরধারীর এক পর্যায়ে র‌্যাব গোপন সূত্রে জানতে পারে যে, বর্ণিত মামলার অন্যতম প্রধান কয়েকজন আসামি রাঙ্গামাটি জেলার কোতোয়ালী থানাধীন একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রামের একটি আভিযানিক দল সোমবার (২৯ মে ২০২৩ইং তারিখে) বর্ণিত স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মামলা দায়েরের ১৫ ঘন্টার মধ্যে চার আসামিকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সম্মুখে আটককৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তারা বর্ণিত হত্যার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিল মর্মে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।