নগরীর আকবরশাহ থানার বেলতলীঘোনা পাহাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (৬ জুন) ফয়েজ লেক সংলগ্ন বেলতলীঘোনা এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাট্টলী সার্কেল মো. উমর ফারুক।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলার পাহাড়সমূহ রক্ষার্থে হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ (HRPB) কর্তৃক মহামান্য সুপ্রীম কোর্টে দায়েরকৃত রীট পিটিশন নং-৯১১৪/২০২২ এবং আপীল বিভাগের সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপীল নং-২৪৯২/২০২২ এর রায় বাস্তবায়নে ও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৬তম তম সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক ফয়েসলেক সংলগ্ন পাহাড়ী এলাকায় আজ (বৃহস্পতিবার) এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৫শ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ফয়েজ লেক সংলগ্ন লট-৯ পাহাড়তলী মৌজার ৮ একর পাহাড়ি জায়গা দখলমুক্ত করা হয়। পরবর্তী যাতে পুনদখল না হয় সেজন্য আনসার বাহিনী মোতায়ন করা হয়।
পাহাড় দখল প্রতিরোধে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামানের নির্দেশনায় এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
অভিযানে সিএমপি’র ৭০ জন ফোর্স,পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হাসান,আকবর শাহ থানার ওসি ওয়ালি উদ্দিন, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পিডিবির টিম, কর্ণফুলী গ্যাস প্রতিনিধি, ওয়াসা প্রতিনিধি ও ৩০ জন আনসার ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।