রাজধানীর গাবতলী দখলে নিয়েছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠন।
শনিবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে গাবতলীর হানিফ কাউন্টার মাঠের সামনের সড়কে মঞ্চ করে দলটি।
মঞ্চের আশেপাশে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অবস্থান নেন। এতে রাস্তার এক পাশ আটকে যায়। আমিন বাজারের দিক থেকে আসা গাড়ি সরু পথ দিয়ে ঢাকার দিকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। এছাড়া মাজার রোড ও গাবতলী এস এ খালেক এন্টারপ্রাইজ বাস টার্মিনালের সামনে পুলিশকে জলকামান ও রয়টার কার নিয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাক, মিনি ট্রাকে করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতারা মিছিল করে আসেন।
আওয়ামী লীগের এ অবস্থান সম্পর্কে দারুস সালাম থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল কালাম বলেন, ‘বিএনপি নৈরাজ্যের কর্মসূচি দিয়েছে। তারা ঢাকা ঘেরাও করবে, এ কর্মসূচিতে বিএনপি যাতে জনগণের জানমাল এবং কোনো গাড়ি ভাঙচুর না করতে পারে সে জন্য জনগণের পক্ষ থেকে আমরা এখানে নিরাপত্তা প্রহরি হিসেবে কাজ করছি।’
আওয়ামী লীগের আরেক নেতা সিরাজুল ইসলাম জানান, এখানে তারা বিকেল পর্যন্ত অবস্থান করবেন। বিএনপি এলে তাদের প্রতিহত করা হবে।
এ বিষয়ে গাবতলীতে অবস্থান করা পুলিশের মিরপুর জোনের এডিসি মাসউক মিয়া বলেন, ‘আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নির্দেশ দিয়েছেন যে, শনিবার কোনো দলেরই কোনো কর্মসূচির অনুমতি দেয়া হয়নি। যারাই জনগণের জানমাল বা সম্পদ বিনষ্ট করবে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’
তিনি আরও বলেন, ‘কল্যাণপুর থেকে গাবতলী পর্যন্ত বিভিন্ন পয়েন্টে আমাদের অসংখ্য পুলিশ মোতায়েন করেছি। গাবতলী এলাকায় আমাদের প্রায় দেড় শতাধিক পুলিশ মোতায়েন আছে। এখন পুরো বিষয়টা পর্যবেক্ষণ করছি।’
প্রসঙ্গত, ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগসহ নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের একদফার দাবিতে ঢাকার ১২টি প্রবেশপথে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি দিয়েছে বিএনপি। একইসঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে চলছে শান্তি সমাবেশ।
এমএইচএফ