রাজধানীর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে করে আলোচনায় এসেছেন। তাঁর সঙ্গে কলেজছাত্রীর বিয়ে মেনে নিতে পারেনি মেয়েটির পরিবার। অসমবয়সী দুজনের এই প্রেম ও বিয়ের বিষয়টি আদালত পর্যন্তও গড়িয়েছে। ছাত্রীর বাবা খন্দকার মুশতাক আহমেদের বিরুদ্ধে মেয়েকে ফাঁদে ফেলে ধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলার আবেদন করেন।
এই মামলায় গভর্নিং বডির সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদের জামিন বহাল রেখেছেন চেম্বার আদালত। তবে মুশতাক গভর্নিং বডির কোনো কর্মকাণ্ডে এবং মিটিংয়ে অংশ নিতে পারবেন না ও স্কুলের সীমানায় যেতে পারবেন না বলে আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম এ আদেশ দেন। সোমবার (২১ আগস্ট) সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ওই কলেজছাত্রীর বাবার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে ৮ আগস্ট গুলশান থানায় মুশতাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়। সেই মামলায় মুশতাকের সঙ্গে কলেজটির অধ্যক্ষ ফাওজিয়া রাশেদীকেও আসামি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য ৬০ বছর বয়সী খন্দকার মুশতাক আহমেদকে বিয়ে করা আইডিয়ালের ছাত্রীকে নিরাপদ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ কইসঙ্গে অভিযুক্ত মুশতাককে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ সেদিন এ আদেশ দেন।
আদালত বলেছেন, আইডিয়ালের ছাত্রীর বয়স নিয়ে আসামিপক্ষ ও রাষ্ট্রপক্ষ পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন। তাই ভিকটিমের বয়স নির্ধারণ করা জরুরি। বয়স নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত ভিকটিম ছাত্রী নারী ও সমাজ সেবা অধিদপ্তরের অধীনে সেইফ হোমে (নিরাপদ হেফাজতে) থাকবে।