সঙ্গীতকে ‘নৈতিক দুর্নীতির কারণ’ তকমা দিয়ে আফগানিস্তানের পশ্চিম হেরাত প্রদেশে বেশ কিছু বাদ্যযন্ত্র পুড়িয়ে দিয়েছে তালেবান সরকার।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার কয়েক হাজার ডলার মূল্যের বাদ্যযন্ত্রে আগুন দেয়া হয়েছে।
২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে জনসমক্ষে গান-বাজনা বন্ধসহ নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটির সরকার।
আফগানিস্তান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ মিউজিকের প্রতিষ্ঠাতা ড. আহমেদ সারমাস্ত তালেবানদের কর্মকাণ্ডকে “সাংস্কৃতিক গণহত্যার” সাথে তুলনা করেছেন।
তিনি বলেন, আফগানিস্তানের জনগণকে শৈল্পিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তালেবানের নেতৃত্বে আফগানিস্তানে যে সাংস্কৃতিক গণহত্যা চলছে, হেরাতে বাদ্যযন্ত্র পোড়ানো তার একটি ছোট উদাহরণ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা গেছে, গিটার, হারমোনিয়াম, তবলাসহ অ্যামপ্লিফায়ার এবং স্পিকারে আগুন দেয়া হয়েছে। এসব বাদ্যযন্ত্রের অধিকাংশই জব্দ করা হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে।
আফগানিস্তানে ৯০’এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবানরা ক্ষমতায় থাকার সময় সামাজিক সমাবেশ, টিভি এবং রেডিও থেকে সব ধরনের সঙ্গীত নিষিদ্ধ করা করেছিল।
সবশেষ গত সপ্তাহে, হেয়ার এবং বিউটি সেলুনকে অনৈসলামিক আখ্যা দিয়ে সেসব বন্ধ করার নির্দেশ দেয় তালেবান সরকার।